HeRa News Global

← প্রচ্ছদে ফিরে যান
বিশ্ব

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, জোরদার হচ্ছে প্রতিরোধ কার্যক্রম

প্রকাশিত: 01 Nov 2026, 08:08 PM   |   লেখক: Super Admin   |   পঠিত: 22
১৯৯৫ সালে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর কিকুইট জেনারেল হাসপাতালে ইবোলা আইসোলেশন ওয়ার্ডের ঐতিহাসিক ছবি। এটি বর্তমান প্রাদুর্ভাবের ছবি নয়।
১৯৯৫ সালে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর কিকুইট জেনারেল হাসপাতালে ইবোলা আইসোলেশন ওয়ার্ডের ঐতিহাসিক ছবি। এটি বর্তমান প্রাদুর্ভাবের ছবি নয়।
২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৪১৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৩৭২ জনে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলো নজরদারি, রোগী শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করছে।

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে, জোরদার হচ্ছে প্রতিরোধ কার্যক্রম

কিনশাসা, ১ নভেম্বর ২০২৬ — গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির সর্বশেষ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সামনে এখনও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

৩১ অক্টোবর প্রকাশিত পরিস্থিতি প্রতিবেদনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৩৫১ জনে পৌঁছানোর কথা জানানো হয়েছে। একই প্রতিবেদনে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটির আটটি প্রদেশে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে। এর মধ্যে ইতুরি ও উত্তর কিভু প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে।

এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ভাইরাস, যা ইবোলা ভাইরাসের তুলনামূলকভাবে বিরল একটি ধরন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, সংক্রমণ অব্যাহত থাকা, রোগী শনাক্তে বিলম্ব এবং দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলছে।

এই প্রাদুর্ভাবের প্রভাব আঞ্চলিক পর্যায়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। ডব্লিউএইচওর ২৩ অক্টোবরের প্রতিবেদনে কেনিয়া ও নাইজেরিয়ায় সীমান্ত পেরিয়ে আসা সংক্রমণের তথ্য উল্লেখ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশে নজরদারি, সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলো নতুন সংক্রমণ শনাক্ত, সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ, হাসপাতালগুলোতে সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বান্দিবুগিও ভাইরাসজনিত রোগের জন্য বর্তমানে অনুমোদিত কোনো নির্দিষ্ট টিকা বা চিকিৎসা নেই। তবে দ্রুত রোগ শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সম্ভাব্য টিকা নিয়ে গবেষণাও অব্যাহত রয়েছে।

ডব্লিউএইচও আক্রান্ত দেশগুলোর সঙ্গে সাধারণভাবে ভ্রমণ বা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরামর্শ দেয়নি। সংস্থাটি সমন্বিত জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম এবং সীমান্তপারের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।